বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদের চার শিক্ষার্থী আরমান, মেহেদী, সাদিক ও বাধন। প্রায়ই তাঁরা বেরিয়ে পড়েন সাইকেল নিয়ে বহু দূরের গন্তব্যে। এবার চার বন্ধু মিলে ঘুরে বেরিয়েছেন ময়মনসিংহের গোবড়াকুড়া বর্ডার থেকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে পর্যন্ত। রোমাঞ্চকর এই সাইকেল ভ্রমণের গল্প জানিয়েছেন তাঁরা ।
তাঁদের যাত্রা শুরু হয় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের গোবড়াকুড়া বর্ডার থেকে। ময়মনসিংহ শহর থেকে ৫৭ কিমি দূরে অবস্থিত এই বাংলাদেশ- বর্ডারটি। হালুয়াঘাট বাজারে পৌঁছাই রাত দেড়টায়। পৌঁছে রাতে খাবার খেয়ে বর্ডারের উদ্দেশে শহরে আসতে সকাল ৮টা বেজে যায় । ময়মনসিংহে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দুপুরে ঢাকায় রওনা হই। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে রং সাইডে বিপরীত দিক থেকে আসা অটো, সিএনজি, মোটরসাইকেল।
ময়মনসিংহ থেকে ত্রিশাল, ভালুকা হয়ে ঢাকা যাওয়ার জন্য রওনা করলেও গাজীপুর পর্যন্ত যেতেই রাত ১টা বাজে। তারপর সিদ্ধান্ত নেই গাজীপুরে রাতে থাকব। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেহেদীর বন্ধু শান্তর সঙ্গে যোগাযোগ করে গাজীপুরে অবস্থান করলাম। পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকাল ১১টায় আমরা মাওয়া ঘাটে রওনা হই । ঢাকা যাওয়ার পথে বড় একটি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাই। সম্রাট নামে ঢাকার এক লোকাল বাস মেহেদীর সাইকেলে পাশ থেকে ধাক্কা দেয়। ভাগ্যিস যাত্রায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। ঢাকা থেকে বের হতে রাত ১০টা বাজল। ঢাকা-মাওয়া ৮ লেনের হাইওয়ে আমার দেখা বাংলাদেশের সেরা হাইওয়ে। পরে মাওয়া ঘাটে পৌঁছাতে আমাদের রাত ৩টা বাজল। ট্রলার পরের দিন সকাল ৮টায়। পরে মাওয়া ঘাটের ইলিশ খেয়ে হোটেলেই বসে বসে ঝিমালাম সকাল পর্যন্ত।
তৃতীয় দিনের শুরুটা হলো মাওয়া ঘাট থেকে বরিশালের পথে রওনা। গুগল ম্যাপ দেখে চলে এলাম শরীয়তপুর হয়ে মাদারীপুর। মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় সাইকেল চালাচ্ছিলাম। আমাদের দেখে কয়েকজন আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল কোথা থেকে এসেছি আমরা। কালকিনি থেকে আমরা ঢাকা বরিশাল হাইওয়েতে উঠলাম। এই সম্পূর্ণ যাত্রার এটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি। এক লেনের ঢাকা-বরিশাল হাইওয়েতে ৮০-১০০ কিমি বেগে চলা বাস, ওভারটেকিং, অন্ধকার রাত, আঁকাবাঁকা হাইওয়ে। প্রতিটা মুহূর্তে ভয়ানক পরিস্থিতি মুখোমুখি হচ্ছিলাম। এমনও হয়েছে সামনে থেকে বাস ওভারটেকিং করতে গিয়ে আমাদের মুখোমুখি। উপায় না পেয়ে সড়ক থেকে নিচে সাইকেল নামিয়ে দিতে হচ্ছিল।
তিন দিনের যাত্রার ক্লান্তি, পা ব্যথা ও শরীর ব্যথার কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নেই চতুর্থ দিন সাইকেল কম রাইড করব। সেদিন দুপুরের খাওয়া শেষে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে রওনা হই। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের থেকে সকাল ৬টার দিকে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দিই। সারাদিন সাইকেল চালিয়ে রাত ৯টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে পৌঁছায়। স্ট্রাভা অ্যাপের হিসাব অনুযায়ী ৬১০ কিমি সাইকেল চালানোটা সত্যিই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা দারুণ উপভোগ করেছি এই দীর্ঘ সাইকেল ভ্রমণ।
শেষ হতে চলেছে বাংলা ১৪৩২ সাল। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। বাংলা নতুন বছর বরণে সর্বত্র চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বান্দরবান জেলা প্রশাসনও।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবার জেলার ৪টি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে পর্যটকদের জনপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হবে।
রোববার (১২ এপ্রিল) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) বান্দরবান জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটন কেন্দ্রে সকল দর্শনার্থীর জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ ছাড়াই সহজে এসব দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন এবং আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ও ঘুরতে আসা পর্যটকরা জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ ধরনের পদক্ষেপ পর্যটন খাতকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে এবং পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।
দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা। আগামী ২৫ এপ্রিল, শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা নেওয়া হবে বিভাগ ও জেলাভিত্তিক নির্ধারিত কলেজ কেন্দ্রগুলোতে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নির্দেশনায় কেন্দ্রগুলোর জন্য বিস্তারিত করণীয় ও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ভর্তির ওয়েবসাইট থেকে প্রদত্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষার্থীদের নামের তালিকা ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষার্থীদের গ্রুপ অনুযায়ী আসন সাজাতে হবে এবং পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
পরীক্ষা হলের প্রতিটি কক্ষে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান এই তিন গ্রুপের আসন সংখ্যা ১০-এর গুণিতক হতে হবে। নিজেদের কলেজে পরীক্ষা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে কাছাকাছি অন্য কোনো সরকারি বা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে তিনদিন আগেই আসন বিন্যাসের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে হাজিরাপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর মুখমণ্ডল মিলিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে। কোনোভাবেই প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
এছাড়া পরীক্ষার্থীদের কপি ঠিকানা অনুযায়ী পাশাপাশি বসানো শিক্ষার্থীদের ভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্র দিতে হবে, কারণ প্রতিটি গ্রুপের জন্য দুটি করে সেট তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে ওএমআর শিটে গ্রুপ ও সেট কোড ঠিকমতো পূরণ করেছে কিনা। কোনো পরীক্ষার্থী যদি ওএমআর শিটে কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা মোবাইল নম্বর লিখে, তবে তার উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটরসহ যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। এছাড়া পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থীকেই পরীক্ষা হলে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয়। পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কারও কেন্দ্রে প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) ও হাজিরাপত্র নির্ধারিত নিয়মে সিলগালা করে একই দিন রাত ৮টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। ডাক বা কুরিয়ার সার্ভিসে এসব পাঠানো যাবে না।
প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য ১২৫ টাকা হারে কেন্দ্র ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ফি পরীক্ষা শুরু হওয়ার তিনদিন আগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
ভারতীয় নৌবাহিনী ওই জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে আর জাহাজটি ও কোনো বেসামরিক তাদের হাতে আটক থাকলে তাদের ছেড়ে দিতে বলেছে।
ভারতীয় নৌবাহিনী সোমালিয়ার জলদস্যুদের ছিনতাই করা মাল্টার পতাকাবাহী একটি জাহাজে হস্তক্ষেপ করে সেখানে থাকা সব দস্যুকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছে।
শনিবার ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র একথা জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ওই মুখপাত্র জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর সোমালিয়ার জলদস্যুরা এমভি রুয়েন নামের সাবেক পণ্যবাহী ওই জাহাজটি ছিনতাই করে, তারপর থেকে তারা এটিকে জলদস্যুতার ‘কাজে ব্যবহার করছে’।
শুক্রবার ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ ছিনতাই করা ওই জাহাজটির পথরোধ করে। এ সময় নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার জাহাজটি কাছাকাছি গেলে এক সোমালি জলদস্যু সেটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, ভারতীয় নৌবাহিনীর শেয়ার করা এক ভিডিওতে এমনটি দেখা গেছে।
আট সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, এক জলদস্যু হেঁটে ডেকে এসে ছিনতাইকৃত জাহাজটির উপরে উড়তে থাকা একটি হেলিকপ্টারের দিকে রাইফেল তাক করে গুলি ছুড়ছে, দুইবার গুলি ছোড়ে সে।
ভারতীয় নৌবাহিনী ওই জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে আর জাহাজটি ও কোনো বেসামরিক তাদের হাতে আটক থাকলে তাদের ছেড়ে দিতে বলেছে।
বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনী বলেছে, চলতি সপ্তাহে সোমালিয়ার উপকূলের অদূরে বাংলাদেশের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময় জলদস্যুরা সম্ভবত তাদের ছিনতাই করা জাহাজ রুয়েনকে ব্যবহার করেছে।
ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নিয়ে সোমালি জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের জন্য চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে।
তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে জলদস্যুতা বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সোমালি জলদস্যুদের হাতে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ থেকে পাওয়া এসওএসে ভারতীয় নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার সাড়া দিয়েছিল, এর একদিন পর এ ঘটনাটি ঘটেছে।
মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে আরব আমিরাত যাওয়ার পথে মঙ্গলবার ভারত মহাসাগরের সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। জলদস্যুরা জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৩ নাবিকের সবাইকে জিম্মি করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে চার কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনা হচ্ছে। এক কার্গোতে এলএনজি থাকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ)। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি থেকে এক কার্গো, সিঙ্গাপুরভিত্তিক গানভোর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এক কার্গো ও সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে। এতে সব মিলিয়ে খরচ হবে প্রায় ১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ–সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্টুডিওভিত্তিক মেকআপ আর্টিস্টদের চাহিদা বেড়েছে আজকাল। অনেকের হাতে বউ সাজতে কয়েক মাস আগেই বুকিং দিতে হয়। জাহিদ খান এই সময়ের তেমনি একজন জনপ্রিয় মেকআপ আর্টিষ্ট। তাঁর কাছে কনে সাজতে দেশ সেরা তারকা থেকে শুরু করে অনেকে সাধারণ মেয়েও এখন ইচ্ছে পোষণ করেন। ‘বর্ণিল বিয়ে’ ম্যাগাজিনের জন্য নিজের সিগনেচার স্টাইলে সাজালেন জাহিদ খান। কি এমন বিশেষত্ব আছে তার সাজে, জানতে উপস্থিত ছিলেন আবৃতি আহমেদ বর্ণিল বিয়ের জন্য গোলাপি রঙের জামদানি শাড়িতে স্নিগ্ধ কনে সাজালেন জাহিদ খান। পেছনে টেনে খোঁপা বেঁধেছেন চুলে, তাতে শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে গুঁজে দিয়েছেন চারটি তাজা গোলাপ। মুখের সাজে চাকচিক্যের বদলে দিয়েছেন স্নিগ্ধ মেকআপ। কাজল দেওয়া হালকা চোখ, হালকা ঠোঁট আর গালে হালকা গোলাপি আভা। শাড়ির রং হালকা বলেই সাজে বেছে নিয়েছেন গাঢ় সবুজ পান্নার গয়না। মিলিয়ে কানে দুল আর সিঁথিতে টিকলি। দুই হাতে সাদা, সবুজ কাচের চুড়ির সঙ্গে পরিয়েছেন কুন্দনের চুড়ি।
বাংলাদেশের বাজারে ভি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এনেছে ভিভো। ‘ভি৩০’ মডেলের ফোনটির পেছনে ৫০, ৫০ ও ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। সামনে-পেছনে শক্তিশালী ক্যামেরাসহ এলইডি ফ্ল্যাশ থাকায় সহজেই ভালো মানের ছবি তোলার পাশাপাশি ভিডিও করা যায়। ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভিভো বাংলাদেশ।
ফানটাচ ওএস ১৪ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটিতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৭ জেন৩ প্রসেসর থাকায় একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ৫ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি সুবিধার ফোনটিতে ৮০ ওয়াটের টাইপ সি ফ্লাশ চার্জার রয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পাশাপাশি দ্রুত চার্জ করা যায় ফোনটি।
৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চি অ্যামোলেড থ্রি–ডি কার্ভড ডিসপ্লে সুবিধার পর্দার ফোনটিতে ১২ গিগাবাইট র্যাম রয়েছে, যা ২৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ২৫৬ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ হওয়ায় স্বচ্ছন্দে গেম খেলার পাশাপাশি ভিডিও দেখা যায়।
ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর বান্দরবানের রোয়াংছড়ির দেবতাখুমে ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। দুর্গম এ পর্যটন স্পট পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠার মূল কারণ, এর বন্য সৌন্দর্য। ঘন বনে আচ্ছাদিত উঁচু পাহাড়, আর তার মাঝে বয়ে চলা স্বচ্ছ ঝরনার জলে ভেলায় চড়ে অন্য রকম অনুভূতিতে ভেসে যান পর্যটকেরা। এককথায় ট্রেকিং, অ্যাডভেঞ্চার আর ভেলায় চড়ার আনন্দ—সবই এক জায়গায়। প্রতিদিন শত শত পর্যটকের আগমনে স্থানীয় লোকজনেরও কর্মসংস্থান হচ্ছে।
দেবতাখুমে গত শনিবার গিয়ে দেখা যায়, সবখানে পর্যটকের ভিড়। পর্যটকেরা কেউ বাঁশের ভেলায় চড়ে বেড়াচ্ছেন, কেউ নৌকায় ঘুরছেন, কেউ সাঁতার কাটছেন। দলে দলে কেউ আসছেন, কেউ ফিরে যাচ্ছেন। ঢাকা থেকে পাঁচ বছরের শিশুসন্তান নিয়ে বাঁশের ভেলায় চড়ে বেড়াচ্ছিলেন এক দম্পতি। তাঁরা বলেন, এ রকম পাথুরে গুহার জলে ঘুরে বেড়ানো ও উপভোগ করার নান্দনিক সৌন্দর্য দেশে আর কোথাও নেই।
দুই পাথুরে পাহাড়ের পাদদেশের মাঝখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ স্বচ্ছ জলধারার দেবতাখুম। রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে। বান্দরবানের নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় এক বছরের বেশি সময় ধরে দেবতাখুমে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে প্রশাসন থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। ২২ জানুয়ারি থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। রুমার বগালেক, কেওক্রাডং, রিঝুক ঝরনা ও থানচির গহিনে নিরাপত্তা সমস্যা থাকায় পর্যটকেরা এখন দেবতাখুমে ভ্রমণে বেশি আগ্রহী বলে স্থানীয় মানুষেরা জানিয়েছেন।
এলাকার পর্যটন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য অংচিংনু মারমা জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার পর্যটক আসেন। দেবতাখুমে ঘুরে বেড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বাঁশের ভেলা, নৌকা ও লাইফ জ্যাকেট রয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেবতাখুমের সৌন্দর্য উপভোগের সময়সীমা রাখা হয়েছে।
দেবতাখুম পর্যটন আকর্ষণ ঘিরে লিরাগঁই (কচ্ছপতলী) বাজার ও শীলবান্ধাপাড়ায় চায়ের দোকান, রেস্তোরাঁ ও আবাস গড়ে উঠেছে। ট্যুরিস্ট গাইডের সংগঠন হিল অ্যাডভেঞ্চারের সভাপতি উ চ ওয়াই মারমা বলেছেন, পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় কর্মহীন মানুষ কর্ম ফিরে পেয়েছেন। দেবতাখুমে পর্যটকদের সহযোগিতার জন্য ৭৫ থেকে ৮০ ট্যুরিস্ট গাইড কাজ করেন। এ ছাড়া দোকানি, ফল বিক্রেতাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পর্যটক আগমনে উপকৃত হচ্ছেন।
রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ আলী বলেন, দেবতাখুমে পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ও সেবা নিবিড় করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতি ১০ জনে ১ জন ট্যুরিস্ট গাইড রাখা, নিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য কয়েক দিনের মধ্যে কচ্ছপতলী বাজার এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানে নিরাপত্তার জন্য পর্যটকদের তথ্য, কোন ট্যুরিস্ট গাইডের সঙ্গে কারা যাচ্ছেন—সবকিছু লিপিবদ্ধ করে রাখা হবে।
আফগানিস্তানে গত তিন সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতের কারণে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৩ জন। বুধবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর: টোলো নিউজ
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, বৃষ্টি ও তুষারপাতে ১ হাজার ৬৪৫টি ঘর-বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ গবাদি পশু মারা গেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে নুরিস্তান প্রদেশের একটি পাহাড়ি গ্রামে তুষার ধসে অন্তত ২১ জন নিহত হয়। এছাড়াও, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর সঙ্গে রাজধানী কাবুলের সংযোগকারী সালং পাসটি বেশ কয়েকদিন ধরে প্রবল তুষারপাতের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। অন্যান্য প্রদেশেও বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ রয়েছে।
রমজান মাসে ব্যায়াম করা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই দ্বিধা তৈরি হয়। সেহরি খাওয়ার পর সারাদিন না খেয়ে থাকা হয় বলে অনেকেই ভাবেন– এ সময় যেহেতু ফাস্টিং হচ্ছেই তাহলে আলাদা করে শারীরিক ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। রোজার সময়েও যদি আপনি ব্যায়াম বা ইয়োগা করেন, তাহলে সুস্থ থাকার পাশাপাশি আপনার এনার্জি লেভেলও বাড়বে, মানসিকভাবে ভালো থাকবেন এবং মেটাবলিজম স্বাভাবিক থাকবে। এবার ভাবতে পারেন, কোন সময়ে কী ধরনের ব্যায়াম করলে ভালো হয়? চলুন তাহলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। রোজায় কখন ব্যায়াম করবেন?
খালি পেটে ব্যায়াম করলে ব্লাড সুগার কন্ট্রোলে থাকে এবং উচ্চ রক্তচাপ কমে, যা কিনা মাথা ঘোরানো বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে। এ সময় যে ওয়ার্কআউটগুলো করা হবে, সেগুলো নিয়ে আগে অবশ্যই পরিকল্পনা করে নিতে হবে। সারা বছর যদি ভারী ব্যায়াম করে থাকেন, তাহলে এ সময় সেটার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে। এ সময় ইয়োগা করলেও শরীর বেশ আরাম পাবে। ব্যায়াম কম বা বেশির কথা তো জানা হলো, কিন্তু কোন সময়টা আসলে ব্যায়ামের জন্য উপযুক্ত? রমজানে সাধারণত চার সময়ে ব্যায়াম করা যায়। সেহরির আগে
সকালে সাধারণত ফজর নামাজ পড়েই সবাই হাঁটতে বের হন বা ব্যায়াম করেন। রমজানে এই সময়টা শুরু হবে একটু আগে। যেমন– আপনি যখন সেহরি খাবেন, তার কিছুটা আগে উঠবেন। খাওয়ার আগে হালকা ব্যায়াম করে নেবেন। কারণ, ইফতার খাওয়ার পর আপনি যা খাবেন, তা থেকেই এনার্জি তৈরি হবে, যা শরীরে সঞ্চিত থাকবে। তবে খাওয়ার আগে ব্যায়াম করার কারণে দ্রুত খাবার হজম হয়ে দিনের শুরুর দিকেই ক্ষুধা লাগতে পারে। এজন্য আপনি আগে থেকেই খাদ্য তালিকায় ফাইবার জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। দুপুরে
দিনের মাঝামাঝি সময়ে ওয়ার্কআউট করলে বাকি সময়টুকুও বেশ ভালো কাটে। তা ছাড়া বেশ এনার্জিও পাওয়া যায়। পানি পান করা যায় না বলে প্রথম তিন-চার দিন অ্যাডজাস্ট হতে একটু সময় লাগতে পারে। ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
ইফতারের আগে
এই সময়েও ব্যায়াম করা যায়। কারণ, ওয়ার্কআউট শেষ করার অল্প সময়ের মধ্যেই খাবার ও পানি খাওয়া যায়। যদিও এ সময়ে সারাদিনের সঞ্চিত শক্তি অনেকটাই কমে আসে। যদি বেশি দুর্বল লাগে, তাহলে শরীরে বাড়তি চাপ নিয়ে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ইফতারের পর
সবচেয়ে ভালো হয় যদি ইফতার করে ব্যায়াম করতে পারেন। পানি ও খাবার খাওয়া হয় বলে এ সময় এনার্জি লেভেল বেশি থাকে। তা ছাড়া ওয়ার্কআউট করার সময়ও পানি পান করতে পারবেন। কী ধরনের ব্যায়াম করা যায়?
রমজানে কী ধরনের ব্যায়াম করবেন সেটা নির্ভর করবে শরীরের চাহিদা এবং রোজা রেখে আপনার কেমন লাগছে তার ওপর। এ সময় নিয়মিত হাঁটাহাঁটি, হালকা জগিং, ইয়োগা বা ওয়েট লিফটিং করা যায়।
অনেকেই রেগুলার কার্ডিও করেন। ৩০ মিনিটের কার্ডিও আপনি করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, এ সময় আপনার শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকবে। তাই শরীরে যে ফ্যাট জমা আছে, সেখান থেকেই শরীর এনার্জি গ্রহণ করবে। কার্ডিও শুরুর আগে তাই বডি ওয়ার্মআপ করে নিতে এবং শেষে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না। প্রতিদিন না করে এক দিন পরপর করুন।
রমজানে ব্যায়াম নিয়ে রাজধানীর আনন্দ ইয়োগা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড ইয়োগা উইথ দেবের ইনস্ট্রাক্টর বৃতি দেব বলেন, ‘ইয়োগায় কিছু আসন আছে যেগুলো নিয়মিত করলে মন ফ্রেশ থাকে। ভারী এক্সারসাইজ না করে এ সময় ইয়োগা করতে পারেন। ইফতারের কিছুক্ষণ পর, ঘুমানোর আগে, সেহরির কিছুক্ষণ আগে এই আসনগুলো করা যায়। ইয়োগা করলে ক্লান্তিও কমে যাবে, সেই সঙ্গে হরমোনাল ইমব্যালান্সও হবে না।’
সারা বছরের তুলনায় রমজানে ব্যায়ামের ধরন ও সময় কিছুটা ভিন্ন থাকে। তাই শুরুর দিকে সেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ‘পারব না’ এ কথাটি না ভেবে চেষ্টা করুন, দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে শরীরও সুন্দরভাবে অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে।
একুশে স্মৃতি পরিষদ ঢাকা কর্তৃক মানবসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে স্মৃতি পদক-২০২৪-এ ভূষিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কন্যা বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও লামা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি নারী নেত্রী ফাতেমা পারুল।
সমাজে নির্যাতিত নিপীড়িত অধিকার বঞ্চিত সফল ও শ্রেষ্ট মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ঢাকার সেগুন বাগিচার কেন্দ্রীয় কঁচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে শনিবার (১৭ই ফেব্রুয়ারী) একুশে স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ভাষা আন্দোলন থেকে আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে ফাতেমা পারুল এর নাম ঘোষণা করা হয়।একুশে স্মৃতি পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতাউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান মিঞা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, সাবেক উপমন্ত্রী ও ১৪ দলীয় কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী, একুশে স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা হযরত শাহ সুফী সাইফ আনোয়ার মোবারকী।
তিনি হঠাৎ পারিবারিক
জরুরী ট্রাজেড়ির কারনে যথা সময়ে জাতীয় এই মহতী অনুষ্টানে উপস্থিত হতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাহার নিজ ব্যক্তিগত প্রতিনিধির
মাধ্যমে অনুষ্টানের প্রধান অতিথি মাননীয় বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলর চেয়ারম্যান এর কাজ থেকে একুশে স্মৃতি পদক ২০২৪ সম্মাননা ও সনদপত্র গ্রহন করেন।
প্রচ্ছদ /
সাইকেলে দেশ ভ্রমণ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদের চার শিক্ষার্থী আরমান, মেহেদী, সাদিক ও বাধন। প্রায়ই তাঁরা বেরিয়ে পড়েন সাইকেল নিয়ে বহু দূরের গন্তব্যে। এবার চার বন্ধু মিলে ঘুরে বেরিয়েছেন ময়মনসিংহের গোবড়াকুড়া বর্ডার থেকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে পর্যন্ত। রোমাঞ্চকর এই সাইকেল ভ্রমণের গল্প জানিয়েছেন তাঁরা ।
তাঁদের যাত্রা শুরু হয় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের গোবড়াকুড়া বর্ডার থেকে। ময়মনসিংহ শহর থেকে ৫৭ কিমি দূরে অবস্থিত এই বাংলাদেশ- বর্ডারটি। হালুয়াঘাট বাজারে পৌঁছাই রাত দেড়টায়। পৌঁছে রাতে খাবার খেয়ে বর্ডারের উদ্দেশে শহরে আসতে সকাল ৮টা বেজে যায় । ময়মনসিংহে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে দুপুরে ঢাকায় রওনা হই। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে রং সাইডে বিপরীত দিক থেকে আসা অটো, সিএনজি, মোটরসাইকেল।
ময়মনসিংহ থেকে ত্রিশাল, ভালুকা হয়ে ঢাকা যাওয়ার জন্য রওনা করলেও গাজীপুর পর্যন্ত যেতেই রাত ১টা বাজে। তারপর সিদ্ধান্ত নেই গাজীপুরে রাতে থাকব। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেহেদীর বন্ধু শান্তর সঙ্গে যোগাযোগ করে গাজীপুরে অবস্থান করলাম। পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকাল ১১টায় আমরা মাওয়া ঘাটে রওনা হই । ঢাকা যাওয়ার পথে বড় একটি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাই। সম্রাট নামে ঢাকার এক লোকাল বাস মেহেদীর সাইকেলে পাশ থেকে ধাক্কা দেয়। ভাগ্যিস যাত্রায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। ঢাকা থেকে বের হতে রাত ১০টা বাজল। ঢাকা-মাওয়া ৮ লেনের হাইওয়ে আমার দেখা বাংলাদেশের সেরা হাইওয়ে। পরে মাওয়া ঘাটে পৌঁছাতে আমাদের রাত ৩টা বাজল। ট্রলার পরের দিন সকাল ৮টায়। পরে মাওয়া ঘাটের ইলিশ খেয়ে হোটেলেই বসে বসে ঝিমালাম সকাল পর্যন্ত।
তৃতীয় দিনের শুরুটা হলো মাওয়া ঘাট থেকে বরিশালের পথে রওনা। গুগল ম্যাপ দেখে চলে এলাম শরীয়তপুর হয়ে মাদারীপুর। মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় সাইকেল চালাচ্ছিলাম। আমাদের দেখে কয়েকজন আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল কোথা থেকে এসেছি আমরা। কালকিনি থেকে আমরা ঢাকা বরিশাল হাইওয়েতে উঠলাম। এই সম্পূর্ণ যাত্রার এটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি। এক লেনের ঢাকা-বরিশাল হাইওয়েতে ৮০-১০০ কিমি বেগে চলা বাস, ওভারটেকিং, অন্ধকার রাত, আঁকাবাঁকা হাইওয়ে। প্রতিটা মুহূর্তে ভয়ানক পরিস্থিতি মুখোমুখি হচ্ছিলাম। এমনও হয়েছে সামনে থেকে বাস ওভারটেকিং করতে গিয়ে আমাদের মুখোমুখি। উপায় না পেয়ে সড়ক থেকে নিচে সাইকেল নামিয়ে দিতে হচ্ছিল।
তিন দিনের যাত্রার ক্লান্তি, পা ব্যথা ও শরীর ব্যথার কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নেই চতুর্থ দিন সাইকেল কম রাইড করব। সেদিন দুপুরের খাওয়া শেষে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে রওনা হই। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের থেকে সকাল ৬টার দিকে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দিই। সারাদিন সাইকেল চালিয়ে রাত ৯টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে পৌঁছায়। স্ট্রাভা অ্যাপের হিসাব অনুযায়ী ৬১০ কিমি সাইকেল চালানোটা সত্যিই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা দারুণ উপভোগ করেছি এই দীর্ঘ সাইকেল ভ্রমণ।
Tour, Travell
আরও পড়ুন
পহেলা বৈশাখে বিনামূল্যে প্রবেশ করা যাবে বান্দরবানের যেসব পর্যটন কেন্দ্রে
শেষ হতে চলেছে বাংলা ১৪৩২ সাল। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। বাংলা নতুন বছর বরণে সর্বত্র চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বান্দরবান জেলা প্রশাসনও।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবার জেলার ৪টি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে পর্যটকদের জনপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হবে।
রোববার (১২ এপ্রিল) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) বান্দরবান জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটন কেন্দ্রে সকল দর্শনার্থীর জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ ছাড়াই সহজে এসব দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন এবং আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ও ঘুরতে আসা পর্যটকরা জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ ধরনের পদক্ষেপ পর্যটন খাতকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে এবং পর্যটকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা। আগামী ২৫ এপ্রিল, শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা নেওয়া হবে বিভাগ ও জেলাভিত্তিক নির্ধারিত কলেজ কেন্দ্রগুলোতে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নির্দেশনায় কেন্দ্রগুলোর জন্য বিস্তারিত করণীয় ও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ভর্তির ওয়েবসাইট থেকে প্রদত্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষার্থীদের নামের তালিকা ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষার্থীদের গ্রুপ অনুযায়ী আসন সাজাতে হবে এবং পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
পরীক্ষা হলের প্রতিটি কক্ষে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান এই তিন গ্রুপের আসন সংখ্যা ১০-এর গুণিতক হতে হবে। নিজেদের কলেজে পরীক্ষা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে কাছাকাছি অন্য কোনো সরকারি বা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে তিনদিন আগেই আসন বিন্যাসের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে হাজিরাপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর মুখমণ্ডল মিলিয়ে যাচাই করতে বলা হয়েছে। কোনোভাবেই প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
এছাড়া পরীক্ষার্থীদের কপি ঠিকানা অনুযায়ী পাশাপাশি বসানো শিক্ষার্থীদের ভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্র দিতে হবে, কারণ প্রতিটি গ্রুপের জন্য দুটি করে সেট তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে ওএমআর শিটে গ্রুপ ও সেট কোড ঠিকমতো পূরণ করেছে কিনা। কোনো পরীক্ষার্থী যদি ওএমআর শিটে কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা মোবাইল নম্বর লিখে, তবে তার উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটরসহ যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। এছাড়া পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পর কোনো পরীক্ষার্থীকেই পরীক্ষা হলে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয়। পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কারও কেন্দ্রে প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) ও হাজিরাপত্র নির্ধারিত নিয়মে সিলগালা করে একই দিন রাত ৮টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। ডাক বা কুরিয়ার সার্ভিসে এসব পাঠানো যাবে না।
প্রতিটি পরীক্ষার্থীর জন্য ১২৫ টাকা হারে কেন্দ্র ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ফি পরীক্ষা শুরু হওয়ার তিনদিন আগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
সোমালি জলদস্যুদের দখলে নেওয়া জাহাজে ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘হস্তক্ষেপ’
ভারতীয় নৌবাহিনী ওই জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে আর জাহাজটি ও কোনো বেসামরিক তাদের হাতে আটক থাকলে তাদের ছেড়ে দিতে বলেছে।
ভারতীয় নৌবাহিনী সোমালিয়ার জলদস্যুদের ছিনতাই করা মাল্টার পতাকাবাহী একটি জাহাজে হস্তক্ষেপ করে সেখানে থাকা সব দস্যুকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছে।
শনিবার ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র একথা জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ওই মুখপাত্র জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর সোমালিয়ার জলদস্যুরা এমভি রুয়েন নামের সাবেক পণ্যবাহী ওই জাহাজটি ছিনতাই করে, তারপর থেকে তারা এটিকে জলদস্যুতার ‘কাজে ব্যবহার করছে’।
শুক্রবার ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ ছিনতাই করা ওই জাহাজটির পথরোধ করে। এ সময় নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার জাহাজটি কাছাকাছি গেলে এক সোমালি জলদস্যু সেটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, ভারতীয় নৌবাহিনীর শেয়ার করা এক ভিডিওতে এমনটি দেখা গেছে।
আট সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, এক জলদস্যু হেঁটে ডেকে এসে ছিনতাইকৃত জাহাজটির উপরে উড়তে থাকা একটি হেলিকপ্টারের দিকে রাইফেল তাক করে গুলি ছুড়ছে, দুইবার গুলি ছোড়ে সে।
ভারতীয় নৌবাহিনী ওই জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে আর জাহাজটি ও কোনো বেসামরিক তাদের হাতে আটক থাকলে তাদের ছেড়ে দিতে বলেছে।
বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনী বলেছে, চলতি সপ্তাহে সোমালিয়ার উপকূলের অদূরে বাংলাদেশের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময় জলদস্যুরা সম্ভবত তাদের ছিনতাই করা জাহাজ রুয়েনকে ব্যবহার করেছে।
ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নিয়ে সোমালি জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের জন্য চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে।
তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে জলদস্যুতা বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সোমালি জলদস্যুদের হাতে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ থেকে পাওয়া এসওএসে ভারতীয় নৌবাহিনী বৃহস্পতিবার সাড়া দিয়েছিল, এর একদিন পর এ ঘটনাটি ঘটেছে।
মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে আরব আমিরাত যাওয়ার পথে মঙ্গলবার ভারত মহাসাগরের সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। জলদস্যুরা জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৩ নাবিকের সবাইকে জিম্মি করে।
স্থানীয় ও বিশ্ববাজার থেকে তেল চিনি গম ও ডাল কিনবে সরকার
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে চার কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনা হচ্ছে। এক কার্গোতে এলএনজি থাকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মিলিয়ন মেট্রিক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ)। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি থেকে এক কার্গো, সিঙ্গাপুরভিত্তিক গানভোর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এক কার্গো ও সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে। এতে সব মিলিয়ে খরচ হবে প্রায় ১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ–সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জাহিদ খানের ৪০ হাজার টাকার কনে সাজে কী এমন আছে?
স্টুডিওভিত্তিক মেকআপ আর্টিস্টদের চাহিদা বেড়েছে আজকাল। অনেকের হাতে বউ সাজতে কয়েক মাস আগেই বুকিং দিতে হয়। জাহিদ খান এই সময়ের তেমনি একজন জনপ্রিয় মেকআপ আর্টিষ্ট। তাঁর কাছে কনে সাজতে দেশ সেরা তারকা থেকে শুরু করে অনেকে সাধারণ মেয়েও এখন ইচ্ছে পোষণ করেন। ‘বর্ণিল বিয়ে’ ম্যাগাজিনের জন্য নিজের সিগনেচার স্টাইলে সাজালেন জাহিদ খান। কি এমন বিশেষত্ব আছে তার সাজে, জানতে উপস্থিত ছিলেন আবৃতি আহমেদ বর্ণিল বিয়ের জন্য গোলাপি রঙের জামদানি শাড়িতে স্নিগ্ধ কনে সাজালেন জাহিদ খান। পেছনে টেনে খোঁপা বেঁধেছেন চুলে, তাতে শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে গুঁজে দিয়েছেন চারটি তাজা গোলাপ। মুখের সাজে চাকচিক্যের বদলে দিয়েছেন স্নিগ্ধ মেকআপ। কাজল দেওয়া হালকা চোখ, হালকা ঠোঁট আর গালে হালকা গোলাপি আভা। শাড়ির রং হালকা বলেই সাজে বেছে নিয়েছেন গাঢ় সবুজ পান্নার গয়না। মিলিয়ে কানে দুল আর সিঁথিতে টিকলি। দুই হাতে সাদা, সবুজ কাচের চুড়ির সঙ্গে পরিয়েছেন কুন্দনের চুড়ি।
৫০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে এই ফোনে
বাংলাদেশের বাজারে ভি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এনেছে ভিভো। ‘ভি৩০’ মডেলের ফোনটির পেছনে ৫০, ৫০ ও ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। সামনে-পেছনে শক্তিশালী ক্যামেরাসহ এলইডি ফ্ল্যাশ থাকায় সহজেই ভালো মানের ছবি তোলার পাশাপাশি ভিডিও করা যায়। ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভিভো বাংলাদেশ।
ফানটাচ ওএস ১৪ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটিতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৭ জেন৩ প্রসেসর থাকায় একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ৫ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি সুবিধার ফোনটিতে ৮০ ওয়াটের টাইপ সি ফ্লাশ চার্জার রয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পাশাপাশি দ্রুত চার্জ করা যায় ফোনটি।
৬ দশমিক ৭৮ ইঞ্চি অ্যামোলেড থ্রি–ডি কার্ভড ডিসপ্লে সুবিধার পর্দার ফোনটিতে ১২ গিগাবাইট র্যাম রয়েছে, যা ২৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ২৫৬ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ হওয়ায় স্বচ্ছন্দে গেম খেলার পাশাপাশি ভিডিও দেখা যায়।
কেন দেবতাখুমে ছুটে যাচ্ছেন পর্যটকেরা
ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর বান্দরবানের রোয়াংছড়ির দেবতাখুমে ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। দুর্গম এ পর্যটন স্পট পর্যটকদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠার মূল কারণ, এর বন্য সৌন্দর্য। ঘন বনে আচ্ছাদিত উঁচু পাহাড়, আর তার মাঝে বয়ে চলা স্বচ্ছ ঝরনার জলে ভেলায় চড়ে অন্য রকম অনুভূতিতে ভেসে যান পর্যটকেরা। এককথায় ট্রেকিং, অ্যাডভেঞ্চার আর ভেলায় চড়ার আনন্দ—সবই এক জায়গায়। প্রতিদিন শত শত পর্যটকের আগমনে স্থানীয় লোকজনেরও কর্মসংস্থান হচ্ছে।
দেবতাখুমে গত শনিবার গিয়ে দেখা যায়, সবখানে পর্যটকের ভিড়। পর্যটকেরা কেউ বাঁশের ভেলায় চড়ে বেড়াচ্ছেন, কেউ নৌকায় ঘুরছেন, কেউ সাঁতার কাটছেন। দলে দলে কেউ আসছেন, কেউ ফিরে যাচ্ছেন। ঢাকা থেকে পাঁচ বছরের শিশুসন্তান নিয়ে বাঁশের ভেলায় চড়ে বেড়াচ্ছিলেন এক দম্পতি। তাঁরা বলেন, এ রকম পাথুরে গুহার জলে ঘুরে বেড়ানো ও উপভোগ করার নান্দনিক সৌন্দর্য দেশে আর কোথাও নেই।
দুই পাথুরে পাহাড়ের পাদদেশের মাঝখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ স্বচ্ছ জলধারার দেবতাখুম। রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে। বান্দরবানের নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় এক বছরের বেশি সময় ধরে দেবতাখুমে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে প্রশাসন থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। ২২ জানুয়ারি থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। রুমার বগালেক, কেওক্রাডং, রিঝুক ঝরনা ও থানচির গহিনে নিরাপত্তা সমস্যা থাকায় পর্যটকেরা এখন দেবতাখুমে ভ্রমণে বেশি আগ্রহী বলে স্থানীয় মানুষেরা জানিয়েছেন।
এলাকার পর্যটন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য অংচিংনু মারমা জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার পর্যটক আসেন। দেবতাখুমে ঘুরে বেড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বাঁশের ভেলা, নৌকা ও লাইফ জ্যাকেট রয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেবতাখুমের সৌন্দর্য উপভোগের সময়সীমা রাখা হয়েছে।
দেবতাখুম পর্যটন আকর্ষণ ঘিরে লিরাগঁই (কচ্ছপতলী) বাজার ও শীলবান্ধাপাড়ায় চায়ের দোকান, রেস্তোরাঁ ও আবাস গড়ে উঠেছে। ট্যুরিস্ট গাইডের সংগঠন হিল অ্যাডভেঞ্চারের সভাপতি উ চ ওয়াই মারমা বলেছেন, পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় কর্মহীন মানুষ কর্ম ফিরে পেয়েছেন। দেবতাখুমে পর্যটকদের সহযোগিতার জন্য ৭৫ থেকে ৮০ ট্যুরিস্ট গাইড কাজ করেন। এ ছাড়া দোকানি, ফল বিক্রেতাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পর্যটক আগমনে উপকৃত হচ্ছেন।
রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ আলী বলেন, দেবতাখুমে পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ও সেবা নিবিড় করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতি ১০ জনে ১ জন ট্যুরিস্ট গাইড রাখা, নিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য কয়েক দিনের মধ্যে কচ্ছপতলী বাজার এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানে নিরাপত্তার জন্য পর্যটকদের তথ্য, কোন ট্যুরিস্ট গাইডের সঙ্গে কারা যাচ্ছেন—সবকিছু লিপিবদ্ধ করে রাখা হবে।
আফগানিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতে নিহত ৬০
আফগানিস্তানে গত তিন সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতের কারণে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৩ জন। বুধবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর: টোলো নিউজ
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, বৃষ্টি ও তুষারপাতে ১ হাজার ৬৪৫টি ঘর-বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ গবাদি পশু মারা গেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে নুরিস্তান প্রদেশের একটি পাহাড়ি গ্রামে তুষার ধসে অন্তত ২১ জন নিহত হয়। এছাড়াও, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর সঙ্গে রাজধানী কাবুলের সংযোগকারী সালং পাসটি বেশ কয়েকদিন ধরে প্রবল তুষারপাতের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। অন্যান্য প্রদেশেও বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ রয়েছে।
রোজায় কখন ব্যায়াম করবেন, কখন করবেন না
রমজান মাসে ব্যায়াম করা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই দ্বিধা তৈরি হয়। সেহরি খাওয়ার পর সারাদিন না খেয়ে থাকা হয় বলে অনেকেই ভাবেন– এ সময় যেহেতু ফাস্টিং হচ্ছেই তাহলে আলাদা করে শারীরিক ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। রোজার সময়েও যদি আপনি ব্যায়াম বা ইয়োগা করেন, তাহলে সুস্থ থাকার পাশাপাশি আপনার এনার্জি লেভেলও বাড়বে, মানসিকভাবে ভালো থাকবেন এবং মেটাবলিজম স্বাভাবিক থাকবে। এবার ভাবতে পারেন, কোন সময়ে কী ধরনের ব্যায়াম করলে ভালো হয়? চলুন তাহলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
রোজায় কখন ব্যায়াম করবেন?
খালি পেটে ব্যায়াম করলে ব্লাড সুগার কন্ট্রোলে থাকে এবং উচ্চ রক্তচাপ কমে, যা কিনা মাথা ঘোরানো বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে। এ সময় যে ওয়ার্কআউটগুলো করা হবে, সেগুলো নিয়ে আগে অবশ্যই পরিকল্পনা করে নিতে হবে। সারা বছর যদি ভারী ব্যায়াম করে থাকেন, তাহলে এ সময় সেটার পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে। এ সময় ইয়োগা করলেও শরীর বেশ আরাম পাবে। ব্যায়াম কম বা বেশির কথা তো জানা হলো, কিন্তু কোন সময়টা আসলে ব্যায়ামের জন্য উপযুক্ত? রমজানে সাধারণত চার সময়ে ব্যায়াম করা যায়।
সেহরির আগে
সকালে সাধারণত ফজর নামাজ পড়েই সবাই হাঁটতে বের হন বা ব্যায়াম করেন। রমজানে এই সময়টা শুরু হবে একটু আগে। যেমন– আপনি যখন সেহরি খাবেন, তার কিছুটা আগে উঠবেন। খাওয়ার আগে হালকা ব্যায়াম করে নেবেন। কারণ, ইফতার খাওয়ার পর আপনি যা খাবেন, তা থেকেই এনার্জি তৈরি হবে, যা শরীরে সঞ্চিত থাকবে। তবে খাওয়ার আগে ব্যায়াম করার কারণে দ্রুত খাবার হজম হয়ে দিনের শুরুর দিকেই ক্ষুধা লাগতে পারে। এজন্য আপনি আগে থেকেই খাদ্য তালিকায় ফাইবার জাতীয় খাবার রাখতে পারেন।
দুপুরে
দিনের মাঝামাঝি সময়ে ওয়ার্কআউট করলে বাকি সময়টুকুও বেশ ভালো কাটে। তা ছাড়া বেশ এনার্জিও পাওয়া যায়। পানি পান করা যায় না বলে প্রথম তিন-চার দিন অ্যাডজাস্ট হতে একটু সময় লাগতে পারে। ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
ইফতারের আগে
এই সময়েও ব্যায়াম করা যায়। কারণ, ওয়ার্কআউট শেষ করার অল্প সময়ের মধ্যেই খাবার ও পানি খাওয়া যায়। যদিও এ সময়ে সারাদিনের সঞ্চিত শক্তি অনেকটাই কমে আসে। যদি বেশি দুর্বল লাগে, তাহলে শরীরে বাড়তি চাপ নিয়ে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।
ইফতারের পর
সবচেয়ে ভালো হয় যদি ইফতার করে ব্যায়াম করতে পারেন। পানি ও খাবার খাওয়া হয় বলে এ সময় এনার্জি লেভেল বেশি থাকে। তা ছাড়া ওয়ার্কআউট করার সময়ও পানি পান করতে পারবেন।
কী ধরনের ব্যায়াম করা যায়?
রমজানে কী ধরনের ব্যায়াম করবেন সেটা নির্ভর করবে শরীরের চাহিদা এবং রোজা রেখে আপনার কেমন লাগছে তার ওপর। এ সময় নিয়মিত হাঁটাহাঁটি, হালকা জগিং, ইয়োগা বা ওয়েট লিফটিং করা যায়।
অনেকেই রেগুলার কার্ডিও করেন। ৩০ মিনিটের কার্ডিও আপনি করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, এ সময় আপনার শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকবে। তাই শরীরে যে ফ্যাট জমা আছে, সেখান থেকেই শরীর এনার্জি গ্রহণ করবে। কার্ডিও শুরুর আগে তাই বডি ওয়ার্মআপ করে নিতে এবং শেষে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না। প্রতিদিন না করে এক দিন পরপর করুন।
রমজানে ব্যায়াম নিয়ে রাজধানীর আনন্দ ইয়োগা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড ইয়োগা উইথ দেবের ইনস্ট্রাক্টর বৃতি দেব বলেন, ‘ইয়োগায় কিছু আসন আছে যেগুলো নিয়মিত করলে মন ফ্রেশ থাকে। ভারী এক্সারসাইজ না করে এ সময় ইয়োগা করতে পারেন। ইফতারের কিছুক্ষণ পর, ঘুমানোর আগে, সেহরির কিছুক্ষণ আগে এই আসনগুলো করা যায়। ইয়োগা করলে ক্লান্তিও কমে যাবে, সেই সঙ্গে হরমোনাল ইমব্যালান্সও হবে না।’
সারা বছরের তুলনায় রমজানে ব্যায়ামের ধরন ও সময় কিছুটা ভিন্ন থাকে। তাই শুরুর দিকে সেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ‘পারব না’ এ কথাটি না ভেবে চেষ্টা করুন, দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যে শরীরও সুন্দরভাবে অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে।
একুশে স্মৃতি পদকে ভূষিত হলেন নারী নেত্রী ফাতেমা পারুল
একুশে স্মৃতি পরিষদ ঢাকা কর্তৃক মানবসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে স্মৃতি পদক-২০২৪-এ ভূষিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কন্যা বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ও লামা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি নারী নেত্রী ফাতেমা পারুল।
সমাজে নির্যাতিত নিপীড়িত অধিকার বঞ্চিত সফল ও শ্রেষ্ট মানব সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ঢাকার সেগুন বাগিচার কেন্দ্রীয় কঁচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে শনিবার (১৭ই ফেব্রুয়ারী) একুশে স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ভাষা আন্দোলন থেকে আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে ফাতেমা পারুল এর নাম ঘোষণা করা হয়।একুশে স্মৃতি পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতাউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান মিঞা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, সাবেক উপমন্ত্রী ও ১৪ দলীয় কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী, একুশে স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা হযরত শাহ সুফী সাইফ আনোয়ার মোবারকী।
তিনি হঠাৎ পারিবারিক
জরুরী ট্রাজেড়ির কারনে যথা সময়ে জাতীয় এই মহতী অনুষ্টানে উপস্থিত হতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাহার নিজ ব্যক্তিগত প্রতিনিধির
মাধ্যমে অনুষ্টানের প্রধান অতিথি মাননীয় বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলর চেয়ারম্যান এর কাজ থেকে একুশে স্মৃতি পদক ২০২৪ সম্মাননা ও সনদপত্র গ্রহন করেন।
সম্পর্কিত আরো খবর
কেন দেবতাখুমে ছুটে যাচ্ছেন পর্যটকেরা
লোহাগাড়ায় একঘণ্টার ব্যবধানে দুটি সড়ক দূর্ঘটনা
লামায় জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন
খাগড়াছড়িতে অস্ত্রসহ এক যুবক গ্রেফতার
বান্দরবানে ছাত্রলীগ নেতা টিপুর উলঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
এবার কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
জনপ্রিয়
আল নজির ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন
যে ডিস্কে সাড়ে ৪ কোটি গান সংরক্ষণ করা যাবে
যুক্তরাষ্ট্রে আবার বেড়েছে মূল্যস্ফীতি
‘ফাইনাল কথা, টাকা না দিলে আমাদের একে একে মেরে ফেলতে বলেছে’
বান্দরবানে উপজেলা নির্বাচনে আলোচনায় যারা
নাইক্ষ্যংছড়িতে হাফেজ আহমদ সওদাগর স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টদের বিস্ময়কর সাফল্য
বান্দরবানে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটক
লামায় ডেসটিনির পাহাড়ের মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়
ব্রীজ নির্মাণে অনিয়মের বক্তব্য চাওয়ায় সাংবাদিকের মোবাইল ভাংচুর, থানায় জিডি